16.3 C
Düsseldorf

না বলা কথা

Must read

গোলজার হোসাইন খান
গোলজার হোসাইন খান
আমি সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর একজন অবসরপ্রাপ্ত এসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার।অতি সাধারণ মানুষ। কোন উচ্চাভিলাষ নেই। সাংসারিক বোধবুদ্ধি শূন্যের কোঠায়। হেরে যাওয়া মানুষের পাশে থাকি।এড়িয়ে চলি স্বার্থপরতা।বিনম্র শ্রদ্ধায় নত হই সৃষ্টিশীল-পরিশ্রমী মানুষের প্রতি আর ভালবাসি আমার পেশাকে।

বাসায় বসেছে শালিস। আমার বিরুদ্ধে গুরুতর নালিশ। আমাকে নাকি প্রায়ই বাটার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ভাগ্য ভালো দোকানে কোন সেলস গার্ল নেই। অন্ততঃ ইভ টিজিং এর দায় হতে বাঁচা গেল। বিচারপতি আত্মজ গম্ভীর ভাবে জানতে চাইলো, কেন?

: তোমার পায়ে মেয়ের পাঠানো নাইকির স্নিকার, জামাইয়ের দেয়া ইটালির কাউবয় বুটে ধূলো জমছে সু-র‍্যাকে। তারপরও কোন বিলাসিতায় বাটার দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে? যদি পছন্দের কিছু থাকে তবে বলো-কিনে দেই।

উত্তর জানা নেই। তথাপি প্রশ্নটা ঘুরপাক খেতে থাকে। কেন চেয়ে থাকি বাটার শোরুমে।
সত্যিটা বলতে চাইলাম।

এক কিশোরের না পাওয়ার বেদনার গল্প। পেছনে বেল্ট লাগানো বাটার দু ফিতের এক জোড়া চামড়ার স্যানডেল। দাম ছিল বত্রিশ টাকা পচানব্বই পয়সা। খুব শখ হয়েছিল পায়ে দেয়ার। কিন্তু চাইতে পারিনি কখনো। যৌথ পরিবারের অনেকগুলো ভাইবোনের জন্য এতো দামী স্যানডেল কেনার সামর্থ্য ও ছিল না। হয়তো জীবনভর সেই স্যানডেল জোড়াই খুঁজে ফিরি। আজ বলতে চাইলাম, কিনে দিতে পারবি আমার অভিমান ভরা সেই কৈশোর। কিন্তু গলার কাছে কি একটা দলার মতোন আটকে গেল। বলা হলো না।

- Advertisement -spot_img

More articles

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে অনুগ্রহ করে আপনার নাম লিখুন

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ আপডেট