12.3 C
Düsseldorf

তুরস্ক ও ফ্রান্সের মধ্যে উত্তেজনা কমছে, তবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়ছে আফ্রিকা নিয়ে

Must read

কয়েক মাস ধরে পরস্পরের বিরুদ্ধে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর তুরস্ক ও ফ্রান্সের নেতারা উত্তেজনা কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তবে আফ্রিকা অঞ্চল নিয়ে তাদের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক স্বার্থ সম্পর্কে উত্তেজনা রয়েই গেছে।

এই মাসের শুরুর দিকে ফরাসী ও তুর্কি প্রেসিডেন্ট ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলনের সময় এক পার্শ্ব-বৈঠকে তাদের মধ্যে মতবিরোধ নিরসনের প্রতিশ্রুতি দেন। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইয়ভেস লি দ্রিয়ান এই সাক্ষাতকে, তুরস্ক ও ফ্রান্সের মধ্যে সম্পর্ক “পুনরুদ্ধারের সময়” হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

লিবিয়া এখনও উত্তেজনার এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ফ্রান্স ও তুরস্ক লিবিয়ার গৃহযুদ্ধে একে অপরের প্রতিপক্ষদের সমর্থন করেছিল। উত্তর আফ্রিকার দেশ থেকে তুরস্কের সেনা প্রত্যাহারের জন্য, প্যারিস আন্তর্জাতিক আহ্বানের সামনের সারির সমর্থক। গত বছর তুরস্ক ও ফরাসী যুদ্ধজাহাজ লিবিয়ার তীরে প্রায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল ফরাসিদের এই দাবির মুখে যে তুরস্ক লিবিয়ার অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করছে। তবে ইস্তাম্বুল ভিত্তিক অর্থনীতি ও বৈদেশিক নীতি গবেষণা কেন্দ্রে কর্মরত সিনান আলগেন বলেছেন যে উভয় পক্ষই এখন কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্টের একজন উপদেষ্টা পরামর্শ দিয়েছেন যে, ফ্রান্স ও তুরস্ক, লিবিয়া ইস্যুর বাইরে আফ্রিকার বাকী অংশে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব নিয়ন্ত্রণের জন্য সহযোগিতা করতে পারে।
আঙ্কারা ঐ মহাদেশে, বিশেষতঃ সাহেল অঞ্চলে তার উপস্থিতি সম্প্রসারিত করছে। তবে জেনেভা -ভিত্তিক গ্লোবের সিনিয়র ফেলো জেলাল হারচাউই বলেছেন নিজার ও মালির মত সাবেক ফরাসি উপনিবেশের সঙ্গে , সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য তুরস্কের এই প্রচেষ্টা , প্যারিসকে সতর্ক করে দিচ্ছে। তিনি বলেন এতে করে সহযোগিতার চেয়ে উত্তেজনা বাড়তে পারে।

- Advertisement -spot_img

More articles

মন্তব্য করুন

অনুগ্রহ করে আপনার মন্তব্য লিখুন!
এখানে অনুগ্রহ করে আপনার নাম লিখুন

- Advertisement -spot_img

সর্বশেষ আপডেট